page contents
Wednesday , January 20 2021
Home / Uncategorized / ৮ বছরের শিশুর হাতের আঙুল কেটে নেয় চার বন্ধু || ধর্ষণ-হত্যার পর

৮ বছরের শিশুর হাতের আঙুল কেটে নেয় চার বন্ধু || ধর্ষণ-হত্যার পর

বগুড়ায় ধুনটে বাবা সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে আট বছরের শিশুকে গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার শিশুটির হাতের আঙুল কেটে নেয় ধর্ষকরা। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেফতারের পর মূল রহস্য সামনে আসে।

গ্রেফতাররা হলেন- মূল পরিকল্পনাকারী ধুনট উপজেলার নশরতপুর গ্রামের তোজাম্মেল হকের ছেলে মো. বাপ্পি আহমেদ, দলিল উদ্দিনের ছেলে মো. কামাল পাশা, মো. সানোয়ার হোসেনের ছেলে শামীম রেজা, সাহেব আলীর ছেলে মো. লাবলু শেখ। শুক্রবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, ১৪ ডিসেম্বর রাতে নশরতপুর গ্রামে ইসলামী জলসা হয়। দাদা, দাদি ও দুই ফুফুর সঙ্গে সেখানে যায় শিশ্তুটি। জলসায় তাকে দেখে পারিবারিক দ্বন্দ্বের প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা করে বাপ্পি। পরে বিষয়টি বাকি তিন বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করে। তারা জলসায় স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করছিল। কিছুক্ষণ পর বাপ্পি শিশুটিকে বাদাম কেনার লোভ দেখিয়ে স্থানীয় হাজী কাজেম জুবেদা টেকনিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। সেখানে তার বন্ধু কামাল, শামীম ও লাবলু পালাক্রমে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সে নিস্তেজ হয়ে পড়লে গলা টিপে হত্যা করে বাপ্পি। পরে কাটিং প্লাস দিয়ে শিশুটির হাতের আঙুল কেটে নিয়ে লাশ পাশের বাঁশঝাড়ে ফেলে দেয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চার বন্ধুই ধর্ষণ-হত্যার দায় স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, নিহত শিশুটি ধুনটের নশরতপুর দাদাবাড়িতে থাকত। সে স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা-মা ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। ১৪ ডিসেম্বর রাতে নিখোঁজ হয় তাবাসসুম। পরে বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত অবস্থায় পাশের একটি বাঁশঝাড়ে তার লাশ পাওয়া এ ঘটনায় পরদিন নিহত মামলা করেন শিশুর বাবা। ২৫ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *